আমলকী/Embolic Myrobalans/aamla/Gooseberry,আমলকি খাওয়ার বেশ কিছু উপকারিতা/ আমলকির গুনাগুন/Impressive Health Benefits of Gooseberries

আমলকি গুড়া ৫০ গ্রাম  ৪০/- টাকা, শুকনো আমলকি কেজি ২০০/-
বাজার দর অনুযায়ী মূল্য পরিবর্তনশীল এবং ষ্টক থাকা সাপেক্ষে।
সকল পণ্য হালাল রুপে বাছাই করে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে বাজারজাত করা হয়।
বনাজী ঔষধালয়ে নুতন পণ্যের অর্ডার বিবরন, মূল্য জানতে ফেসবুক     
পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।
ভেষজ গাছ গাছড়ার গুনাগুণ উপকারিতা জানতে ভিজিট করুন এবং  subscribe করুন। ধন্যবাদ।
Please subscribe for next posts, Thanks.
আমলকী  হলো
আমলকী. হরিতকী, বহেড়া=ত্রিফলার একটি ফল।
আমলকী বা আমলকি (বৈজ্ঞানিক নাম: Phyllanthus emblica) ফাইলান্থাসি পরিবারের ফাইলান্থুস গণের
 একপ্রকার ভেষজ ফল সংস্কৃত ভাষায় এর নাম 'আমালিকা'। ইংরেজি নাম 'aamla' বা 'Indian gooseberry'।
 এরা রোমশ বিহীন বা রোমশ পর্ণমোচী বৃক্ষ।
আমলকী গাছ ৮ থেকে ১৮ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট হতে পারে, পাতা ঝরা প্রকৃতির। হালকা সবুজ পাতা, যৌগিক 
পত্রের পত্রক ছোট, ১/২ ইঞ্চি লম্বা হয়। হালকা সবুজ স্ত্রী ও পুরুষফুল একই গাছে ধরে। ফল হালকা সবুজ বা হলুদ 
ও গোলাকৃতি ব্যাস ১/২ ইঞ্চির কম বেশি হয়। কাঠ অণুজ্জল লাল বা বাদামি লাল। বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলে 
ই দেখা যায়। গাছ ৪/৫ বছর বয়সে ফল দেয়। আগষ্ট - নভেম্বর পর্যন্ত ফল পাওয়া যায়। বীজ দিয়ে আমলকির 
বংশবিস্তার হয়। বর্ষাকালে চারা লাগানোর উপযুক্ত সময়।
আমলকী গাছ বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা, চীন, কম্বোডিয়া, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন 
ও দক্ষিণ আমেরিকায় দেখা যায়।
আমলকি নিয়ে প্রাথমিক গবেষণা সম্পন্ন হয়েছে। এতে দেখা গেছে যে, এটি ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে 
পারে।প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, রিউমেটয়েড আর্থ্রাইটিস এবং অস্টিওপোরোসিস রোগে আমলকির 
রস কিছু কাজ করে। কয়েক ধরনের ক্যান্সারের বিরুদ্ধেও এর কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
 প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগেও আমলকি কার্যকর বলে ইঁদুরের উপর চালিত গবেষণায় প্রমান মিলেছে। 
প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগের পরে ক্ষতিগ্রস্ত প্যানক্রিয়াস (অগ্ন্যাশয়) -এর ক্ষত সারাতে আমলকি কার্যকর।
 আমলকির ফল, পাতা ও ছাল থেকে তৈরি পরীক্ষামূলক ওষুধে কিছু রোগ নিরাময়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে যেমন- 
ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, প্রদাহ এবং কিডনি-রোগ। আমলকি মানুষের রক্তের কোলেস্টেরল-মাত্রা হ্রাস 
করতে পারে বলে প্রমাণ রয়েছে ডায়াবেটিক ইঁদুরের উপর চালানো এক গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকির 
রস রক্তের চিনির মাত্রা কমাতে পারে এবং লিভারের কর্মক্ষমতা পুনরোদ্ধারে সাহায্য করতে পারে। 
আমলকিতে প্রচুর ভিটামিন-সি বা এস্করবিক এসিড থাকে (৪৪৫ মিগ্রা/১০০ গ্রাম)। তা সত্ত্বেও আরো 
অন্যান্য উপাদান নিয়ে মতভেদ আছে এবং আমলকির 'এন্টি-অক্সিডেন্ট'রূপে কার্যকারিতার পেছনে মূল ভূমিকা
 ভিটামিন-সি এর নয়, বরং 'এলাজিটানিন' নামক পদার্থসমূহের বলে মনে করা হয়। যেমন এমব্লিকানিন-এ 
(৩৭%), এমব্লিকানিন-বি (৩৩%), পানিগ্লুকোনিন (১২%) এবং পেডাংকুলাগিন (১৪%).এতে আরো আছে 
পানিক্যাফোলিন, ফিলানেমব্লিনিন-এ, বি, সি, ডি, ই এবং এফ। এই ফলে অন্যান্য 'পলিফেনল'ও থাকে। 
যেমন- ফ্ল্যাভোনয়েড, কেমফেরল, এলাজিক এসিড ও গ্যালিক এসিড। 
আমলকির ভেষজ গুণ রয়েছে অনেক। ফল ও পাতা দুটিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। আমলকিতে প্রচুর
 ভিটামিন ‘সি’ থাকে।  পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে ৩ গুণ ও ১০ গুণ 
বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলার চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, 
আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। একজন বয়স্ক লোকের প্রতিদিন 
৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ দরকার। দিনে দুটো আমলকি খেলে এ পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া যায়। 
আমলকি খেলে মুখে রুচি বাড়ে। স্কার্ভি বা দন্তরোগ সারাতে টাটকা আমলকি ফলের জুড়ি নেই।
 এছাড়া পেটের পীড়া, সর্দি, কাশি ও রক্তহীনতার জন্যও খুবই উপকারী।লিভার ও জন্ডিস 
রোগে উপকারী বলে আমলকি ফলটি বিবেচিত। আমলকি, হরিতকী ও বহেড়াকে একত্রে ত্রিফলা বলা হয়। এ 
তিনটি শুকনো ফল একত্রে রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালবেলা ছেঁকে খালি পেটে শরবত হিসেবে খেলে পেটের অসুখ 
ভালো হয়। বিভিন্ন ধরনের তেল তৈরিতে আমলকি ব্যবহার হয়। কাচা বা শুকনো আমলকি 
বেটে একটু মাখন মিশিয়ে মাথায় লাগালে খুব তাড়াতাড়ি ঘুম আসে।কাচা আমলকি বেটে রস
 প্রতিদিন চুলে লাগিয়ে দুতিন ঘন্টা রেখে দিতে হবে। এভাবে একমাস মাখলে চুলের গোড়া শক্ত, চুল উঠা এবং 
তাড়াতড়ি চুল পাকা বন্ধ হবে।
আমলকী কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের উপর কাজ করে।
বমি বন্ধে কাজ করে।
দীর্ঘমেয়াদি কাশি সর্দি হতে উপকার পাওয়ার জন্য আমলকীর নির্যাস উপকারী।
এটি হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধক।
এটি দাঁত,চুল ও ত্বক ভাল রাখে।
এটি খাওয়ার রুচি বাড়ায়।
কোষ্ঠকাঠিন্য, মাথাব্যথা, অম্ল,রক্তাল্পতা, বমিভাব দূর করতে সাহায্য করে।
বহুমূত্র রোগে এটি উপকারী।
চোখ উঠলে কাঁচা আমলকীর রস দিনে ২ ফোটা করে দুই বার দিলে ভাল আরাম পাওয়া যায়।
চুল ওঠা দূর করতে আমলকী বেশ উপকারী।
চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে।
ক্যান্সার
আমলকীর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ক্যান্সার প্রতিরোধী গুণ, আমলকি ক্যান্সারের 
কোষ বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।
প্রতিদিন সকালে আমলকীর জুস খাওয়া পেপটিক আলসার প্রতিরোধে কাজ করে।
আমলকী শরীরের বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সাহায্য করে এবং ওজন কমায়।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আমলকী খুব দ্রুত কাজ করে। আমলকীর গুঁড়ো মধু দিয়ে প্রতিদিন খেলে
 ভালো ফলাফল পাওয়া যায়
আমলকি খাওয়ার বেশ কিছু উপকারিতা 
১) শরীরে ভিটামিন সি এর ঘাটতি মেটাতে আমলকির জুড়ি নেই। ভিটামিন সি এর অভাবে যেসব রোগ হয়,
 যেমন: স্কার্ভি, মেয়েদের 
লিউকরিয়া, অর্শ প্রভৃতি ক্ষেত্রে আমলকি খেলে উপকার পাওয়া যায়।
২) হার্টের রোগীরা আমলকি খেলে ধরফরানি কমবে। টাটকা আমলকি তৃষ্ণা মেতে, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া বন্ধ
 করে, পেট পরিষ্কার করে।
৩) আমলকি খেলে মুখে রুচি বাড়ে। এছাড়া পেটের পীড়া, সর্দি, কাশি ও রক্তহীনতার জন্যও খুবই উপকারী।
৪) পিত্ত সংক্রান্ত যেকোনো রোগে সামান্য মধু মিশিয়ে আমলকি খেলে উপকার হয়।
৫) বারবার বমি হলে শুকনো আমলকি এককাপ জলে ভিজিয়ে ঘন্টা দুই বাদে সেই জল একটু শ্বেত চন্দন ও চিনি
 মিশিয়ে খেলে বমি বন্ধ হয়।
 যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস জলে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। 
খাবারের সঙ্গে আমলকির আচার হজমে সাহায্য করে।
৬) নিয়মিত কয়েক টুকরো করে আমলকি খেলে চোখের দৃষ্টিশক্তি ঠিক থাকে। আমলকি খিদে বাড়ায়, শরীর
 ঠান্ডা রাখে।
৭) আমলকি থেকে তৈরী তেল মাথা ঠান্ডা রাখে। কাঁচা বা শুকনো আমলকি বেটে একটু মাখন মিশিয়ে মাথায়
 লাগালে খুব তাড়াতাড়ি ঘুম আসে।
৮) কাঁচা আমলকি বেটে রস প্রতিদিন চুলে লাগিয়ে দুতিন ঘন্টা রেখে দিতে হবে। এভাবে একমাস মাখলে চুলের 
গোড়া শক্ত, চুল উঠা এবং তাড়াতড়ি চুল পাকা বন্ধ হবে।আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের 
পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 
এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর 
করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।
৯) আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম
 রুখতে সাহায্য করে।
১০) এ্যাসিডিটির সমস্যা মেটাতে আমলকির জুরি মেলা ভার। এক গ্লাস দুধ বা জলের মধ্যে আমলকি গুঁড়ো ও 
সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু'বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।
১১) প্রত্যহ সকালে আমলকির রসের ও মধু এক সঙ্গে মিশিয়ে খেলে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা
 বাড়বে।
১২) আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। চোখের অসুখ ও দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে আমলকির রস এক চমত্‍কার
 কার্যকরী ভেসজ। চোখ চুলকানি বা জল পড়া, প্রদাহ প্রভৃতি সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। এতে রয়েছে 
ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
১৩) প্রত্যহ আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে। আমলকির টক ও তেতো মুখে 
রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে 
ংংখাওয়ার আগে খেতে পারেন।
১৪) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি 
অনেক উপকারী। ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারী।
১৫) শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে। এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে 
শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তি বর্ধন করে। আমলকির আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।
১৬) ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও 
কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।।
স্থানীয় নাম
সংস্কৃত ভাষায় amalika (अमलिक)
মৈথিলী ভাষায় Dhatric (धात्रिक) 
হিন্দী ভাষায় āmlā (आमला]]
গুজরাটী ভাষায় āmla (આમળાં)
উর্দূ ভাষায় aavnlaa (awla) 
মারাঠী ভাষায় āvaḷā (आवळा) 
গারো ভাষায় ambare (अमबरे)
কন্ংকনী ভাষায় āvāḷo (आवाळो)
মিজো ভাষায় sunhlu
নেপালী ভাষায় amalā (अमला)
বাংলা ভাষায় amloki (আমলকী)
উড়িয়া ভাষায় anlaa (ଅଁଳା) 
চট্রগ্রামের ভাষায় "অলতি"in Oriya
পাঞ্জাবী ভাষায় Aula (ਔਲਾ) in Punjabi
মালায়ালম ভাষায় nellikka (നെല്ലിക്ക) in Malayalam
মণিপুরী ভাষায় heikru in Manipuri
আরবী ভাষায় halïlaj or ihlïlaj (اهليلج هليلج) in Arabic
খাসি ভাষায় sohmylleng in Khasi
তেলেগু ভাষায় rasi usiri ( రాశి ఉసిరి కాయ)
তামিল এবং কানাড়া ভাষায় nellikkaai or nellikaayi
থাই ভাষায় ma kham pom (มะขามป้อม)
চীনা ভাষায় anmole (庵摩勒)
The gooseberry (/ˈɡuːsbɛri/ or /ˈɡuːzbɛri/ (American and northern British) or /ˈɡʊzbəri/ (southern British)), with scientific names Ribes uva-crispa (and syn. Ribes grossularia), is a species of Ribes (which also includes the currants).
It is native to Europe, the Caucasus and northern Africa The species is also sparingly naturalized in scattered locations in North America.Gooseberry bushes produce an edible fruit and are grown on both a commercial and domestic basis. Its native distribution is unclear, since it may have escaped from cultivation and become naturalized. For example, in Britain, some sources consider it to be a native, others to be an introduction.
Although usually placed as a subgenus within Ribes, a few taxonomists treat Grossularia as a separate genus, although hybrids between gooseberry and blackcurrant (e.g., the jostaberry) are possible. The subgenus Grossularia differs somewhat from currants, chiefly in their spiny stems, and in that their flowers grow one to three together on short stems, not in racemes. It is one of several similar species in the subgenus Grossularia; for the other related species (e.g., North American gooseberry Ribes hirtellum), see the genus page Ribes.
In a 100-gram serving, gooseberries provide 44 Calories and are an excellent source of vitamin C (33% of the Daily Value) (table). No other nutrients are in significant content (table). Gooseberries are 88% water, 10% carbohydrates, and less than 1% each of protein and fat (table).Gooseberries are edible and can be eaten as-is, or used as an ingredient in desserts, such as pies, fools and crumbles. Early pickings are generally sour and more appropriate for culinary use. They are also used to flavour beverages such as sodas, flavoured waters, or milk, and can be made into fruit wines and teas. Gooseberries can be preserved in the form of jams, dried fruit, or as the primary or a secondary ingredient in pickling, or stored in sugar syrup.
Gooseberry, rawRibes .spp
Nutritional value per 100 g (3.5 oz)
Energy 184 kJ (44 kcal)
Carbohydrates 10.18 g
Dietary fiber 4.3 g
Fat 0.58 g
Protein 0.88 g
Vitamins Quantity%DV†
Vitamin A equiv. 2%15 μg
Thiamine (B1) 3%0.04 mg
Riboflavin (B2) 3%0.03 mg
Niacin (B3) 2%0.3 mg
Pantothenic acid (B5) 6%0.286 mg
Vitamin B6 6%0.08 mg
Folate (B9) 2%6 μg
Vitamin C 33%27.7 mg
Vitamin E 2%0.37 mg
Minerals Quantity%DV†
Calcium 3%25 mg
Copper 4%0.07 mg
Iron 2%0.31 mg
Magnesium 3%10 mg
Manganese 7%0.144 mg
Phosphorus 4%27 mg
Potassium 4%198 mg
Sodium 0%1 mg
Zinc 1%0.12 mg
Other constituents Quantity
Water 87.87 g
Highly nutritious. Gooseberries are low in calories and fat, yet packed with nutrients. 
High in fiber and low in calories. 
Rich in antioxidants. 
May help control blood sugar. 
May protect your brain. 
May have anticancer effects.
Good for your heart.
Easy to add to your diet.
Newer Posts Newer Posts Older Posts Older Posts

Comments

Post a Comment