Wild Sarsaparilla, a Native Source of Energy and Health কুমারী লতা, সারসাপারিলা পানীয় ও কুমারী লতা

Despite their similar name, wild sarsaparilla (Aralia nudicaulis) is not related to the true sarsaparilla at all. Unlike true sarsaparilla which belongs to the Greenbrier family, wild sarsaparilla belongs to the Ginseng family. Wild sarsaparilla is a perennial flowering plant that comes from northern and eastern North America. This plant can easily be found growing on creeping underground stems in the woods.
This plant has had a long history with Native Americans. It’s considered a very filling food source as well as a wonderful herbal remedy. Also, much like its name suggests, the roots of this plant is often used as a substitute for true sarsaparilla roots in making root beer.
Edibility and culinary use
Wild sarsaparilla has a sweet spicy taste and a nice aromatic fragrant. The leaves, fruits, and roots of this plant are edible, but the roots are by far the most commonly used one. They’re used as a substitute for sarsaparilla, to make root beer, to make syrup, as well as to flavor other foods and beverages. Native Americans also used to eat wild sarsaparilla roots as emergency food, especially during wartime. This is because these roots are a wonderful source of energy.
Other than that, you can brew wild sarsaparilla leaves along with the roots to make a refreshing herbal tea. Young shoots are often cooked as a potherb as well. They can be stir-fried, blanched, or added into soups and stews. Lastly, ripe wild sarsaparilla fruits can be used to make wine and jelly.
Much like its similarly named friend, sarsaparilla, wild sarsaparilla is an amazing medicinal herb. In fact, Native Americans have been using the roots of both plants interchangeably for making traditional herbal remedies. The roots can be made into a tincture, tonic, and herbal tea for internal use or used as a poultice for external use.
This herb has diaphoretic, diuretic, pectoral and stimulant properties. Aside from that, it’s also a great detoxifier as it encourages the body to sweat all the toxins out. Wild sarsaparilla can treat a lot of ailments. Internally, it’s used to treat cough, asthma, pulmonary diseases, rheumatism, and digestive problems. It can also help alleviate toothache and stomachache. Then, a poultice made from this herb can be used externally to treat sore muscles, joint pain, ulcers, burns, minor cuts, rash, insect bites, and other skin diseases such as eczema.
Cautions
Wild sarsaparilla has no known hazard, but it’s always wise to consult your doctor or other medical providers before starting to consume this herb.
Be careful when foraging this herb in the wild. Wild sarsaparilla and poison ivy can look similar, especially in the spring when young plants just start to emerge. Young wild sarsaparilla plants will have three sets of 3 young leaves on its branches, just like poison ivy. A way to tell the difference between both plants is to check for the base of the plants and their leaf shapes. Wild sarsaparilla doesn’t have a woody base while its leaves have finely serrated edges.
It’s easier to tell them apart when the plants have matured. Mature wild sarsaparilla will have three sets of 5 leaves branching out from a common point on the stem along with little white or green flower clusters hanging below the leaves.
Conclusion
Wild sarsaparilla is truly a wonderful medicinal herb. It has had an extensive history as a herbal remedy. In fact, Native Americans tribes see this plant as a panacea and a valuable food source. With its uniquely distinct taste and potent medicinal properties, wild sarsaparilla will be a great addition to your daily diet. So, try taking a walk in the woods and see if you can find any wild sarsaparilla. Once you find it, why not try to cultivate it in your own garden? Its lovely green foliage will look amazing in any garden.
কুমারী লতা
কুমারী লতা ৫০ গ্রাম ৬০/- টাকা, 
বাজার দর অনুযায়ী দ্রব্যমূল্য পরিবর্তনশীল এবং ষ্টক থাকা সাপেক্ষে।
সকল পণ্য হালাল রুপে বাছাই করে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে বাজারজাত করা হয়।
বনাজী ঔষধালয়ে নুতন পণ্যের অর্ডার বিবরনমূল্য জানতে ফেসবুক     
পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন, share করে সহযোগিতা করুন প্লিজ।
ভেষজ গাছ গাছড়ার গুনাগুণ  উপকারিতা জানতে ভিজিট করুন এবং  subscribe করুন। ধন্যবাদ।

Please subscribe/like/follow for next posts, Thanks.www.natureandentertainments.com
 কুমারী লতা উদ্ভিদের এই নাম কেন হলো তা নিশ্চয়ই আপনাদের জানতে ইচ্ছে করছে। সুধী পাঠক, সেটি উল্লেখ করবো এই লেখার এক অংশে। তার আগে এই উদ্ভিদের অন্যান্য দিক তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
উদ্ভিদ বিজ্ঞানের ভাষায় একে Smilax Sp বলা হয়। এই জেনাসের প্রায় ৩০০-৩৫০টি প্রজাতি আছে। এদেরকে সাধারণত গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে দেখা যায়। এরা Smilacaceae পরিবারভুক্ত একবীজপত্রি সপুস্পক কাটা যুক্ত climbing পেরিনিয়াল শক্ত কাস্টল লতা জাতীয় উদ্ভিদ। ইংরেজীতে এদেরকে ওয়াইল্ড সারসাপারিলা, ইন্ডিয়ান সারসাপারিলা বা ব্ল্যাক ক্রিপার বলা হয়। এছাড়াও Catbriers, Greenbriers, Prickly-ivys I smilax নামে পরিচিত। আমাদের দেশে কুমারীলতা বা কুমারীকা নামেই অধিক পরিচিত। তবে কোথাও কোথাও বুলকুমিয়া, বেড়াল আচড়া নামেও এই উদ্ভিদ পরিচিতি লাভ করেছে।
লেখার শুরুতেই বলেছি কুমারীলতা শক্ত লতানো, কাঁটাযুক্ত আরোহী উদ্ভিদ। পাতার অগ্রভাগ সরু, বৃন্তদেশ গোলাকার, পাতার উপরের দিক মসৃণ। গ্রীষ্ম, বর্ষায় মনকাড়া ফুল ফোটে। এর কচি ডগার রঙ খুবই আকর্ষনীয়। দেখলে মনে হয় যেন সদ্যস্নাত এক রূপসী তরুণী দাঁড়িয়ে আছে। আগেকার দিনে অবিবাহিত মেয়েদের PMS এর ব্যাথা নিরাময়ে এই লতার কচি ডগা পিষে রস খাওয়ানো হতো। এতে যেহেতু চমৎকার ফলাফল পাওয়া যেতো তাই এর বাংলা নামকরণ করা হয় ‘কুমারীলতা’ বা ‘কুমারিকা’।
বর্তমানে sarsaparilla বিয়ার হিসেবে পান করা হয়। এর অল্প করেকটি ব্র্যান্ড আমেরিকাতে পাওয়া যায়। আগে এই পানীয় প্রচুর পাওয়া যেতো কিন্তু এখন আর সব দেশে পাওয়া যায় না। এখন sarsaparilla ফ্লেভারের ড্রিংকস পাওয়া যায় তাতে Smilex Sp ব্যবহার করা হয় না। বলা যায় আসল sarsaparilla এখন খুব কম প্রস্তুত করা হয়।
১৮২০ থেকে ১৯১০ সাল পর্যন্ত কুমারী লতা USP তে সিফিলিসের ঔষধ হিসেবে রেজিস্টার্ড ছিলো। কুমারীলতায় স্যাপোনিন, রেসিন, ডায়োসজেনিন, ট্যানিন, সিটোস্টেরল, কিউমারিন, রুটিন, স্মাইলাসপারিক এসিডসহ বেশ কিছু রাসায়নিক উপাদান রয়েছে যা এর মূল থেকে পৃথক করা হয়। এই উপক্ষারগুলো সিফিলিস, গনোরিয়া, বাত, পায়ের ব্যথা, ফুলে যাওয়া, রক্ত-শুন্যতা, আমাশয় ও জ্বরের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। এর রাইজোম শুকিয়ে পাউডার করে বাতের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। জ্যামাইকান কিছু প্রজাতি পাওয়া যায় যাতে ৪ রকমের Progesterone থাকে। এক সমীক্ষায় দেখা যায় Smilax flavonoids অটোইমিউনি (autoimmune) ডিজিজে ভাল ফল পাওয়া যায়। ২০০৬ ও ২০০৮ সালে আমেরিকার কিছু গবেষক যথাক্রমে দাবি করেছেন Smilax-এর রাইজোম লিভার ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কার্যকরী ও এন্টি ভাইরাল ফলাফল প্রদর্শন করে। তবে এই নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে।
Smilax প্রতিকূল পরিবেশেও টিকে থাকতে পারে। আগুনে পুড়িয়ে দিলেও এর রাইজোম থেকে পুনরায় নতুন উদ্ভিদের জন্ম হয়। পাখি ও অন্য ছোট জীব জন্তু এর পরাগায়ন ঘটায় ও বীজের বিস্তার ঘটায় ফলে নতুন উদ্ভিদের জন্ম নেয়। সাধারণত কুমারীলতা অন্য উদ্ভিদের উপর কাটা ও আকর্ষির সাহায্যে ভর করে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে।
নোটঃ
* PMS=প্রি-মিন্সস্ট্রুয়াল সিনড্রোম।
* USP=ইউনাইটেড স্টেটস ফার্মাকোপিয়া।
* Progesterone=Progesterone (প্রোজেস্টেরন) এক প্রকার হরমোন যা মেয়েদের ওভারিতে উৎপন্ন হয় এবং প্রেগনেন্সিতে সহায়তা করে।
* ফ্ল্যাভোনয়েড=ফ্ল্যাভোনয়েড (Flavonoids) হলো উদ্ভিদের খুবই গুরুত্ববাহী রঞ্জক (Pigment) যা ফুলের রঙ তৈরি করে, পরাগায়নকারী প্রাণিদের আকৃষ্ট করার জন্য ফ্লাভোনয়েড হলুদ, লাল ও নীল রঙের পাপড়ির ডিজাইন তৈরি করে। কিছু উঁচু (Higher plants) শ্রেণির উদ্ভিদে ফ্ল্যাভোনয়েড UV (আল্ট্রা ভায়োলেট) রেডিয়েশনকে ফিলট্রেশন করতে মূখ্য ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও ফ্ল্যাভোনয়েড উদ্ভিদের রাসায়নিক মেসেঞ্জার, শারীরবৃত্তীয় নিয়ন্ত্রক এবং সেল (Cell) চক্র ইনহিবিটরের কাজ করতে পারে।
* Venereal disease = এক ধরনের রোগ যা যৌন সঙ্গমের ফলে উৎপন্ন বীর্য (semen) অথবা ভেজাইনাল ফ্লুইড নিঃসরনের মাধ্যমে ছড়ায়।
মরিয়ম ফুল, চন্দন গুড়া, রিঠা পাউডার, শিকাকাই, ত্রিফলা,
             জটামানসী, পুনর্ণবা, পিংক সল্ট, ব্রাঊন সুগারসহ দুষ্প্রাপ্য ভেষজ এবং
                    যাবতীয় বাদাম মসলা আস্ত/গুড়ার জন্য পরিদর্শন করুন
          গাওয়া ঘি, মধু সরিষার তৈল! ভেজালে মূল্য ফেরত
      বাড়ী#২৮,  রোড#,  ব্লক#এফ,  বনশ্রী, ঢাকা
             ফোন: ০১৬২০১২০৮১৭ 








Newer Posts Newer Posts Older Posts Older Posts

Comments

Post a Comment