Taro leaves/Arum Leaves /কচু শাক, Taro Leaves: Nutrition, Benefits, and Uses/কচু শাকের উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ

Taro leaves are the heart-shaped leaves of the taro plant (Colocasia esculenta), commonly grown in subtropical and tropical regions.
While generally known for its edible, starchy root, the leaves of the taro plant also serve as a staple food in various cuisines.
While consuming cooked taro leaves may offer some health benefits, it’s important to note that the raw leaves are poisonous before cooking.
This article reviews the nutrition, benefits, and common uses of taro leaves.
Nutrition profile
With a low calorie and high fiber content, taro leaves serve as a nutritious complement to a well-balanced diet.
A 1-cup (145-gram) serving of cooked taro leaves provides:
Calories: 35
Carbs: 6 grams
Protein: 4 grams
Fat: less than 1 gram
Fiber: 3 grams
Vitamin C: 57% of the Daily Value (DV)
Vitamin A: 34% of the DV
Potassium: 14% of the DV
Folate: 17% of the DV
Calcium: 13% of the DV
Iron: 10% of the DV
Magnesium: 7% of the DV
Phosphorus: 6% of the DV
SUMMARY
Taro leaves are a low calorie green leafy vegetable that’s high in potassium, folate, and vitamins C and A.
Due to their favorable nutrition profile, taro leaves may provide several potential health benefits.
May help prevent disease
Foods containing high levels of antioxidants may help reduce potentially harmful molecules called free radicals.
Free radicals, when left uncontrolled, can promote inflammation in the body, which can contribute to various conditions, such as cancer, autoimmune disorders, and heart disease.
Taro leaves are an excellent source of vitamin C and polyphenols, two common antioxidant compounds.
Thus, consuming cooked taro leaves on a regular basis may help reduce free radicals in your body, in turn aiding in disease prevention.
Healthy addition to a balanced diet
Taro leaves are a nutritious and versatile ingredient that can fit well into any diet.
Due to their low carb and fat content, they’re very low in calories, making them an excellent food to help promote a healthy body weight.
They’re also a good source of fiber: a 1-cup (145-gram) serving of cooked leaves provides 3 grams.
Additionally, they have a high water content, with 92.4% being made up of water.
High fiber and water contents have been shown to aid weight management by promoting feelings of fullness with meals, causing you to eat less.
Considering that taro leaves are quite nutritious and low in calories, replacing higher calorie items with taro leaves may help you achieve or keep a healthy body weight.
Can boost heart health
In general, a diet high in nutrient-dense fruits and vegetables has been associated with improved heart health again and again.
Taro leaves fall into a vegetable category called dark leafy greens, which also includes vegetables like spinach, kale, and Swiss chard.
Regularly consuming dark leafy greens has been associated with an up to 15.8% reduction in heart disease risk based on a 2016 study.
They also provide a good source of dietary nitrates which help to promote healthy blood pressure.
Therefore, including taro leaves as part of an overall nutritious diet may help promote heart health.
Raw leaves are poisonous
There’s one major precaution to be aware of when eating taro leaves — their toxicity when eaten raw.
Taro leaves have a high oxalate content, which is a naturally occurring compound found in many plants.
Some people may need to avoid oxalate-containing foods if they’re at risk for kidney stones, as oxalates can contribute to their formation.
While many foods contain oxalates, such as spinach, beans, soy products, and beets, the amount is too small to have any poisonous effects.
Younger taro leaves contain more oxalates than older leaves, though they’re both poisonous when raw.
It’s also important to note that some people experience an itching sensation when handling raw leaves, so wearing gloves may be advised.
To deactivate the poisonous oxalates in taro leaves, they must be cooked until they soften which only takes a few minutes when boiling or 30 minutes to an hour when baking.
Another method of removing harmful oxalates from taro leaves is soaking them in water for 30 minutes to overnight.
Data suggests that longer soaking times, as well as boiling as opposed to baking, results in more oxalates being removed.
Once these steps are completed, taro leaves are safe to consume for most people.
Still, people at high risk for kidney stones should avoid taro leaves altogether due to their high oxalate content.
How to eat them
While traditionally consumed by cultures within the tropical and subtropical regions, taro leaves are now available in specialty markets worldwide.
Based on the region, there are several recipes used to prepare them.
Cooked taro leaves boast a mild, nutty flavor with slight metallic notes. Thus they’re best served as part of a dish to maximize their flavor profile.
In Hawaii, the leaves are also referred to as luau leaves. Here they’re used to make a dish called lau lau in which various foods are wrapped in the leaves and cooked.
In certain areas of India, taro leaves are used to make a dish called alu wadi, in which the leaves are covered in a spice paste, rolled up, and steamed for 15–20 minutes.
In the Philippines, taro leaves are cooked together with coconut milk and fragrant spices to create a dish called Laing.
The leaves can be added to soups, stews, and casseroles, making them a versatile vegetable.
Lastly, taro leaves can be cooked and eaten plain similar to other leafy greens, such as spinach and kale, though it’s important to cook them sufficiently to reduce their oxalate content.

বাজার দর অনুযায়ী দ্রব্যমূল্য পরিবর্তনশীল এবং ষ্টক থাকা সাপেক্ষে।
সকল পণ্য হালাল রুপে বাছাই করে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে বাজারজাত করা হয়।
বনাজী ঔষধালয়ে নুতন পণ্যের অর্ডার বিবরনমূল্য জানতে ফেসবুক     
পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন, share করে সহযোগিতা করুন প্লিজ।
ভেষজ গাছ গাছড়ার গুনাগুণ  উপকারিতা জানতে ভিজিট করুন এবং  subscribe করুন। ধন্যবাদ।
Please subscribe/like/follow for next posts, Thanks.www.natureandentertainments.com
কচুশাক বাংলাদেশে অতি পরিচিত একটি শাক, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে কচুশাক খুবই জনপ্রিয়। বাড়ির উঠোনের কোণে, ধানের ক্ষেতের আইলে, বিলের ধারে যত্রতত্র বিনা যত্নে জন্মে বলে কচুশাক সহজেই পাওয়া যায়, কিনে খেতে হয় না। কচুশাক বিভিন্নভাবে খাওয়া হয়। তবে কচুপাতা ভর্তা ও তরকারি বেশি জনপ্রিয়। ইলিশ, চিংড়ি, ছোট মাছ বা শুটকি মাছ দিয়ে কচু শাকের তরকারি বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয়। খুব বেশি সহজলভ্য বলে কচুশাককে অনেকেই গুরুত্ব দিতে চান না। কিন্তু এই কচু শাকই দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদার অনেকখানি পূরণ করতে পারে। কচুশাক ভিটামিন এ-এর খুব ভালো উত্‍স, রাতাকানা রোগসহ ভিটামিন এ-এর অভাবে হওয়া সকল ধরনের রোগ প্রতিরোধে কচুশাক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাছাড়া কচুশাক আয়রনসমৃদ্ধ বলে এর সমাদর অনেক বেশি। আমাদের শরীরে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে সব ডাক্তাররাই কচু শাক খাওয়ার পরামর্শ দেন। ভিটামিন এ-এর পাশাপাশি এতে রয়েছে ভিটামিন বি এবং সি-ও। তাই মুখ ও ত্বকের রোগ প্রতিরোধেও কচুশাক সমান ভূমিকা রাখে। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, তাই হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমায়। আসুন আমরা জেনে নেই কচু শাক এর উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণের কথা।
মানসম্মত ডায়েট চার্ট, স্বাস্থ্য টিপস এবং পুষ্টিকর খাবারের রেসিপির ভিডিও দেখতে পুষ্টিবাড়ির ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন… ইউটিউব চ্যানেলটিতে প্রবেশ করতে এখানে ক্লিক করুন।
কচু শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান সমূহ। প্রতি ১০০ গ্রাম কচুশাকে থাকে- ৬.৮ গ্রাম শর্করা, ৩.৯ গ্রাম প্রোটিন, ১০ মিলিগ্রাম লৌহ, ০.২২ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-১ (থায়ামিন), ০.২৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-২ (রাইবোফ্লেবিন), ১২ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’, ১.৫ গ্রাম স্নেহ বা চর্বি, ২২৭ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম এবং ৫৬ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি।
উপকারিতাঃ 
আসুন এবার জেনে নেই কচু শাক এর উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণের কথা-
কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে তাই রক্তশূন্যতায় ভোগা রোগীদের জন্য কচুশাক খাওয়া একরকম আবশ্যক বললেই চলে।
কচুশাকে ভিটামিন এ থাকে যা আমাদের রাতকানা, ছানি পড়াসহ চোখের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধসহ দৃষ্টিশক্তি বাড়িয়ে দেয়।
কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ থাকে যা খাবারকে সহজে হজম করতে সাহায্য করে থাকে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাঁরা কচুশাক খেতে পারেন।
কচুশাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ থাকায় এর লৌহ উপাদান আপনার দেহে সহজে আত্তীকরণ হয়ে যায়। তাছাড়া ভিটামিন সি শরীরের ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। তাই শিশুদের ছোট বেলা থেকেই কচু শাক খাওয়ানো উচিত।
আমাদের শরীরে অক্সিজেনের সরবরাহ সচল রাখতে কচু শাক অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। এই শাকের আয়রন ও ফোলেট রক্তের পরিমাণ বাড়ায়। ফলে অক্সিজেন সংবহন পর্যাপ্ত থাকে। এতে উপস্থিত ভিটামিন কে রক্তপাতের সমস্যা প্রতিরোধ করে।
কচু শাকের সব চেয়ে বড় উপকারিতা হল এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাংগানিজ ও ফসফরাস। আমাদের দাঁত ও হাড়ের গঠনে এবং ক্ষয়রোগ প্রতিরোধে কচু শাকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কচু শাকে বিদ্যমান নানা রকমের ভিটামিন ও খনিজ উপাদান গর্ভবর্তী মা ও শিশুর জন্য অনেক উপকারী। কচু শাক সহজ লভ্য তাই দরিদ্র পরিবারের গর্ভবতী মহিলারা ভিটামিন ও আয়রনের চাহিদা পূরণের জন্য কচু বা কচুশাক খেতে পারেন।
তাছাড়া কচুশাক খেলে রক্তের কোলেস্টরেল কমে তাই উচ্চরক্ত চাপের রোগীদের জন্য কচুশাক এবং কচু বেশ উপকারী। নিয়মিত কচুশাক খেলে কোলন ক্যান্সার ও ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে।
সতর্কতা
কচু শাক বা কচু খেলে অনেক সময় গলা চুলকায় কারন এতে অক্সলেট নামক উপাদান থাকে। তাই কচু রান্না করার সময় লেবুর রস বা সিরকা ব্যবহার করা উচিত। তবে যাদের শরীরে অ্যালার্জির সমস্যা আছে তাদের কচু বা কচুশাক না খাওয়াই ভালো।
সূত্র: পুষ্টি বাড়ি 







Newer Posts Newer Posts Older Posts Older Posts

Comments

Post a Comment