Glycosmis pentaphylla/আশশেওড়া, Uses of Glycosmis pentaphylla/আশশেওড়া এর উপকারিতা ও ঔষুধি গুণাগুণ

              Glycosmis pentaphylla
Glycosmis pentaphylla is an evergreen shrub or small tree growing up to 5 metres tall.
The plant is harvested from the wild, mainly for local use as a food and medicine. It has gained in popularity as an edible fruit in parts of the Caribbean, where it is sometimes cultivated
 It is also sometimes cultivated as an ornamental in various parts of the tropics
Range
Asia - China, India, Sri Lanka, Bhutan, Nepal, Myanmar, Thailand, Cambodia, Vietnam, Malaysia, Indonesia, Philippines.
Habitat
Hillside and valley woods at elevations of 600 - 1,200 metres in southwest China
Prefers relatively dry habitats at elevations from sea-level up to 1,000 metres, and is commonly encountered in secondary thickets
A plant of low to moderate elevations in the tropics. It should be hardy to at least 0°c
Succeeds in full sun to partial shade[310
 Prefers a fertile, moisture-retentive but well-drained medium that is rich in organic matter
The plant flowers and fruits all year round
Fruit - raw Sweet and fleshy
 The small, translucent pink fruits have a juicy flesh and a sort of spicy, gin-like flavour[
 The reddish, sub-globose fruit is 8 - 10mm in diameter
Medicinal
The plant is often used in traditional medicine, both on its own and as an ingredient of various medicinal mixtures[310
]. Several alkaloids and amides that have been isolated from the plant are reported to have biological activities
Glycozolidol, a carbazole alkaloid isolated from the roots, is active against some gram-positive and gram-negative bacteria
Leaf and stem bark extracts have been shown to have a healing effect upon damaged liver tissue
Extracts of the root bark have been shown to exhibit significant activity in the treatment of diarrhoea. An ethanol extract was found to be more effective at lower dosages than an aqueous extract
A steam distillate of the leaves has shown high antifungal activity against Cladosporium cladosporioides, but no activity against Staphylococcus aureus or Escherichia coli
A decoction of the roots is taken to treat bilious attacks. A decoction of roots and leaves is taken for intestinal trouble
An infusion of leaves and roots is given after childbirth as a protective medicine
The leaves are considered appetitive, stomachic and an infusion of roasted leaves is prescribed for women after delivery as an appetizer
In traditional Indian medicine, the plant is used to treat diarrhoea, coughs, rheumatism, anaemia, and jaundice
Juice of the leaves is used in fever, liver complaints and as a vermifuge
A paste of the leaves, mixed with ginger, is applied for eczema and skin affections
A decoction of the roots is given for facial inflammation
Other Uses
Alkaloid extracts of the roots have been shown to inhibit crown gall tumours produced by Agrobacterium tumefaciens in a potato disk bioassay
 The roots have also been shown to inhibit the growth and survival of larvae of the citrus root weevil, Diaprepes abbreviatus, when incorporated in their diet
A petroleum ether extract of the root has been shown to be lethal to the larvae of Culex quinquefasciatus, Culex sitiens, Aedes aegypti and Anopheles stephensi
Leaf extracts have shown a high degree of nematicidal action against the adults and larvae of the nematode Radopholus similis; as well as larvicidal activity against the mosquito Culex quinquefasciatus
The bio-active compound responsible for this activity was identified as the quinazolone alkaloid arborine
আশশেওড়া
বাজার দর অনুযায়ী মূল্য পরিবর্তনশীল এবং ষ্টক থাকা সাপেক্ষে।
সকল পণ্য হালাল রুপে বাছাই করে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে বাজারজাত করা হয়।
বনাজী ঔষধালয়ে নুতন পণ্যের অর্ডার বিবরনমূল্য জানতে ফেসবুক     
পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন, share করে সহযোগিতা করুন প্লিজ।
ভেষজ গাছ গাছড়ার গুনাগুণ  উপকারিতা জানতে ভিজিট করুন এবং  subscribe করুন। ধন্যবাদ।

Please subscribe/like/follow for next posts, Thanks.www.natureandentertainments.com
আশশেওড়া / দাতন / দাঁতমাজন / মটকিলা / বনজামির / কওয়াটুটি / মইল্টা
বৈজ্ঞানিক নাম: Glycosmis pentaphylla.
সমনাম: Glycosmis arborea (Roxb.) A. DC. Glycosmis cochinchinensis Pierre ex Engler
বাংলা নাম: দাতমাজন, মটকিলা; কওয়াটুটি, মটমটি, আশশেওড়া, Aidali, Fatik, Ban Jamir.
ইংরেজি নাম: Toothbrush Plant, Motar tree.
উপজাতি নাম: তাতিয়াং (মারমা), হতিজ্ঞিরা (চাকমা), সি মা সেরে (তঞ্চগা), মোয়াতন (গারো).
জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae - Plants
উপরাজ্য: Tracheobionta - Vascular plants
অধিবিভাগ: Spermatophyta - Seed plants
বিভাগ: Magnoliophyta - Flowering plants
শ্রেণী: Magnoliopsida - Dicotyledons
উপশ্রেণি: Rosidae
বর্গ: Sapindales.
পরিবার: Rutaceae - Rue family.
গণ: Glycosmis Correa – glycosmis.
প্রজাতি: Glycosmis pentaphylla (Retz.) A. DC.
glycosmis pentaphylla/আশশেওড়া শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট গুল্মজাতীয় একটি ছোট উদ্ভিদ। পাতা আকার অনেকটা কালোজামের মতো, তবে বর্ণ গাঢ় সবুজ এবং ওপরের দিক মর্সণ। ১-৫টি পত্রাংশ থাকে তাই Pentaphylla ফল গুচ্ছ সাদা, পাপড়ি ৪-৫টি, পুংকেশর ১০টি। ফল কড়াই শুঁটির মতো, কাঁচা অবস্থায় সবুজ এবং পাকলে পাটল বর্ণের হয়। ফলে ১-৩টি লম্ভাকৃতি বীজ থাকে। নভেম্বর মাসে ফুল ও মার্চে ফল হয়। এটিকে গ্রামবাংলায় অঞ্চলভেদে মটকিলা বা আসকুলিও বলা হয়।
বিস্তার:
ভারত ও মালয়েশিয়ায় এর আদি নিবাস। বাংলাদেশের সর্বত্র, সাধারণত পতিত ভিটায় দেখা যায়। এ গণে প্রজাতির সংখ্যা ৬০।
১। দীর্ঘদিন অজীর্ণ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকলে পানির সাথে ২৫০ মিলিগ্রাম আশশেওড়ার মূলের ছাল বেটে পানির সাথে মিশিয়ে কয়েকদিন সকালে ও বিকালে প্রতিদিন দু’বার খেলে পুরোনো অজীর্ণ রোগে উপকার পাবেন। এ বিধানের পরিবর্তে কাঁটা মূলের ছাল বেটে ছোট ছোট ২৫০ মি.গ্রা. (২ রতি পরিমাণ) বড়ি করে শুকিয়ে রেখে খেলেও চলবে।
২। গুঁড়া কৃমির উপদ্রবে এ গাছের ৩ গ্রাম ছাল মিহি করে বেটে পানিতে মিশিয়ে অথবা ছাল থেঁতো করে ১০ ফোঁটা করে ২/৩ দিন খেতে হবে। উপদ্রব না কমলে মাত্রা একটু বাড়িয়ে দিতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য মাত্রা অর্ধেক হবে (Bhattacharia, 1980)।
৩। বয়ঃসন্ধিকালে অনেকের মুখমণ্ডলে ব্রণ দেখা দেয়। এক্ষেত্রে আশশেওড়া কাঠ চন্দনের মতো মাখলে ব্রণ কমে যায়।
৪। বগল ও কৃঁচকিয়ে ঘামে বিশ্রী গন্ধ ও কাপড়ে দাগ হলে আশাশেওড়া কাঠের মিহি গুঁড়া ২৫ গ্রাম আশশেওড়া গাছের ছাল মিহি করে বেটে ঐ তেলের সাথে মিশিয়ে ভেজে দিয়ে প্রতিদিন একবার গায়ে মাখলে ৩/৪ দিনের মধ্যে চুলকানির উপশম হবে।
মরিয়ম ফুল, চন্দন গুড়া, রিঠা পাউডার, শিকাকাই, মুলতানি
মাটি, ত্রিফলা
,
           জটামানসী, পুনর্ণবা, ত্বীন ফল, পিংক সল্ট, ব্রাঊন সুগার. কেশুরী মেথি,
কারি পাতাসহ
দুষ্প্রাপ্য ভেষজ এবং
                  যাবতীয় বাদাম মসলা আস্ত/গুড়ার জন্য পরিদর্শন করুন
          গাওয়া ঘি, মধু সরিষার তৈল! ভেজালে মূল্য ফেরত
    বাড়ী#২৮,  রোড#,  ব্লক#এফ,  বনশ্রী, ঢাকা
           ফোন: ০১৬২০১২০৮১৭






Newer Posts Newer Posts Older Posts Older Posts

Comments

Post a Comment