Gourd/লাউ , Bottle gourd (Calabash) nutrition facts/লাউ খেলে উপকার মিলবে।

Bottle gourd or calabash is a delicately flavored, Cucurbita family vegetable. It is one of the chief culinary vegetables in many tropical and temperate regions around the world.
Botanically, calabash belongs to the broader Cucurbitaceae (gourd) family of plants, in the genus: Lagenaria. Scientific name: Lagenaria siceraria (Molina) Standl. Some of the common names are white-flower gourd, upo-squash (Filipino), long-squash, etc., in the west and doodhi or lauki in the Indian subcontinent.
Bottle gourd. Note that round and pear-shaped fruits are known as calabash in the west.
Bottle gourd is a fast growing, annual climber (vine) that requires adequate sunlight for flowering and fruiting. It can be grown in a wide range of soils and need trellis support for a spread.
Its intensely branched stems bear musky, deep green, broad leaves just similar as that in pumpkins, and white, monoecious flowers in the summer. After about 75 days from the plantation, young, tender, edible fruits evolve that will be ready for harvesting.
Bottle gourds come in wide range of shapes and sizes.The fruit features oval, pear-shaped or elongated and smooth skin that is light green. In the case of round or pear shaped calabash, their surface is marked by inconspicuous ridges that run lengthwise. Internally, its flesh is white, spongy and embedded with soft, tiny seeds. As the fruit begins to mature, its seeds gradually grow similar to as that in honeydew melons.
Bottle gourd is one of the lowest calorie vegetables- carrying just 14 calories per 100 g. It is one of the vegetables recommended by the dieticians in weight-control programs.
Fresh gourds contain small quantities of folates, contain about 6 µg/100g (Provide just 1.5% of RDA). Folate helps reduce the incidence of neural tube defects in the newborns when taken by anticipant mothers during their early months of pregnancy.
Fresh calabash gourd is a modest source of vitamin-C (100 g of raw fruit provides 10 mg or about 17% of RDA). Vitamin-C is one of the powerful natural antioxidants that help the human body scavenge harmful free radicals, which otherwise, labeled as one of the reasons for cancer development.
Calabash facilitates easy digestion and movement of food through the bowel until it is excreted from the body. Thus, it helps in relieving indigestion and constipation problems.
Aslo, the vegetable is also a modest source of thiamin, niacin (vitamin B-3), pantothenic acid (vitamin B-5), pyridoxine (vitamin B-6) and minerals such as calcium, iron, zinc, potassium, manganese and magnesium.
Bottle gourd tender leaves and tendrils are also edible and indeed contain higher concentrations of vitamins and minerals than its fruit.
Helps in weight loss
You’ll definitely find one or the other person who is striving to lose weight. Because of our lifestyle, weight gain has become a common problem. There’s nothing better than resorting to natural ways in order to lose the extra pounds. Bottle Gourd has low caloric value and hence aids weight loss. Eating 100 grams of gourd provides around 14 calories of energy. This means you can eat gourd to the extent of being full and not worry about extra calorie intake. Not only this, but they are also a good source of dietary fibre which helps us feel full for a longer duration. It hence prevents overeating, which comes out to be a major cause of obesity.
Eating 100 grams of gourd provides around 14 calories of energy. This means you can eat gourd to the extent of being full and not worry about extra calorie intake.
Helps in maintaining a healthy digestive system
Bottle Gourd is a common medicine for disturbed digestion. Eating Bottle Gourd on a regular basis helps improve digestion and keep digestive system on a healthy track. Dietary fibres present in the gourd help not only keep us full but also act as a natural laxative, helps in smooth movement of bowel and hence facilitate elimination of stool without any problem. This provides relief from conditions like constipation or poor digestion. We know that water aids digestion. Bottle gourd constitutes around 92 percent of water and hence adds to why it is good for disturbed digestive systems.
Facilitates liver health
Liver forms a very important part of our body. Continuous problems in the liver can lead to liver failure which can further lead to life-threatening conditions. Bottle Gourd has been found to be extremely useful in dealing with inflammation of the liver. Antioxidants present in gourd help remove toxins from the system, protect kidney and liver from the oxidative damage caused by free radicals and hence contribute towards overall proper functionality.
The glycemic index of bottle gourd is 15, which is low. This means that bottle gourd releases sugar into the blood at a much slower rate and hence helps check diabetes.
Reduces the risk of several types of cancers and is good for diabetics
The word Cancer is enough to terrify us and diabetes, though common these days, too has some severe effects on our health. Cancer occurs due to the uncontrolled growth and division of cells.  Most of the cells in the body have a definite lifespan. It is replaced with a new cell that can function better. Cancerous cells do not have the component that asks them to die. This results in these cells living even after their predefined lifespan and use oxygen and nutrients from other cells. These cells then start collecting and form a tumor. The antioxidants present in Bottle Gourd help prevent this oxidative damage to the cells.
The glycemic index of bottle gourd is 15, which is low. This means that bottle gourd releases sugar into the blood at a much slower rate and hence helps check diabetes. The dietary fibres also help in checking the level of sugar in blood.  It reduces the pace at which sugar gets absorbed in the bloodstream.
বাজার দর অনুযায়ী দ্রব্যমূল্য পরিবর্তনশীল এবং ষ্টক থাকা সাপেক্ষে।
সকল পণ্য হালাল রুপে বাছাই করে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে বাজারজাত করা হয়।
বনাজী ঔষধালয়ে নুতন পণ্যের অর্ডার বিবরনমূল্য জানতে ফেসবুক     
পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন, share করে সহযোগিতা করুন প্লিজ।
ভেষজ গাছ গাছড়ার গুনাগুণ  উপকারিতা জানতে ভিজিট করুন এবং  subscribe করুন। ধন্যবাদ।

Please subscribe/like/follow for next posts, Thanks.www.natureandentertainments.com
শীত মানেই তাপমাত্রার ওঠানামা। সঙ্গে নানাবিধ জীবাণুর দাপাদাপি তো রয়েছেই। ফলে নানা রোগের আক্রমণে শরীর ভাঙতে সময় লাগে না। আর এমন পরিস্থিতিতে শরীরকে নানা রোগের মার থেকে বাঁচিয়ে রাখতে লাউয়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। গবেষণা বলছে, লাউয়ের ভিতরে মজুত রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, বি এবং ডি, সেই সঙ্গে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ফোলেট, আয়রন এবং পটাশিয়াম, যা নানাবিধ রোগের হাত থেকে শরীরকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে আরও নানা উপকারে লাগে শরীরের।
ওজন কমে চোখে পরার মতো
বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, যে কোনও ভাবেই হোক, তা তরকারি বানিয়ে অথবা রস হিসেবে, লাউ খাওয়া শুরু করলে শরীরে ফাইবারের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে খিদে কমে যায়। সেই সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে কমে খাওয়ার পরিমাণও। আর কম খেলে ওজন যে দ্রুত কমে, তা কি আর বলাপ অপেক্ষা রাখে।
স্ট্রেস লেভেল কমে চোখের পলকে
লাউয়ে রয়েছে কোলন নামক এক ধরনের নিউরো ট্রান্সমিটার, যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্ট্রেস লেভেল তো কমেই। সেই সঙ্গে ডিপ্রেশনসহ একাধিক মেন্টাল ডিজঅর্ডারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে। প্রসঙ্গত, গত কয়েক দশকে মানসিক চাপ এবং অ্যাংজাইটির কারণে নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। এতাই তো রোজের ডায়েটে লাউকে রাখার প্রয়োজনও যে বেড়েছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
কনস্টিপেশন এবং নানাবিধ পেটের রোগের প্রকোপ কমে
অনিয়ন্ত্রিত খাওয়া-দাওয়ার কারণে বদ হজম এবং গ্যাস-অম্বল তো বাঙালির রোজের সঙ্গী। তার উপর কনস্টিপেশনের মতো সমস্যা তো আছেই। এমন পরিস্থিতিতে পেটকে চাঙ্গা করে তুলতে লাউয়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ এই সবজিটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় পানি এবং ফাইবার, যা হজম ক্ষমতার উন্নতি তো ঘটায়ই, সেই সঙ্গে কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
শরীরে পানির অভাব দেখা দেওয়ার আশঙ্কা কমে
শরীরকে চাঙ্গা রাখতে পানির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ দীর্ঘক্ষণ ধরে শরীর তার প্রয়োজনীয় পানি না পেলে দেখা দেয় নানা রকমের রোগ। তাই তো দেহের ভিতরে যাতে পানির ঘাটতি দেখা না দেয়, সেদিকে খেয়াল রাখাটা আমাদের একান্ত প্রয়োজন। আর ঠিক এই কারণেই ভাতের পাতে লাউ থাকা মাস্ট! আসলে এই সবজিটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় পানি, যা দেহের ভিতরে পানির অভাব মেটাতে যেমন বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, তেমনি ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে।
ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে
উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা যারা ভুগছেন তাদের ডায়েটে লাউ দিয়ে তৈরি কোনও না কোনও পদ থাকা বেজায় জরুরি! কারণ এতে রয়েছে এমন কিছু পুষ্টিকর উপাদান, যা রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলে হার্টের স্বাস্থ্যও ভাল হয়ে ওঠে। আর হার্ট যখন চাঙ্গা হয়ে ওঠে তখন সার্বিকভাবে আয়ুও যে বৃদ্ধি পায়, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে।
ইনসমনিয়ার মতো রোগ দূরে পালায়
বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, রাতের খাদ্যাভ্যাসের কারণে সিংহভাগ বাঙালিরই ঠিক মতো ঘুম হয় না। ফলের দিনের পর দিন এমনটা হওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই ইনসমনিয়া বা অনিদ্রার মতো সমস্যা ঘারে চেপে বসে। তাই আপনিও যদি এমন রোগে আক্রান্ত হতে না চান, তাহলে লাউয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতে দেরি করবেন না যেন! কারণ একাধিক গবেষণায় এ কথা প্রমাণিত হয়ে গেছে, নিয়মিত লাউ খাওয়া শুরু করলে, বিশেষত লাউয়ের রস, অনিদ্রার সমস্যা দূর হয়। ফলে বিনিদ্র রাত্রি যাপনের আশঙ্কা আর থাকে না বললেই চলে।
ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে চোখে পরার মতো
লাউয়ে উপস্থিত বিশেষ কিছু উপাদান শরীরে প্রবেশ করে এমন খেল দেখায় যে ত্বক ভিতর থেকে স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে। ফলে সৌন্দর্য তো বাড়েই। সেই সঙ্গে তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এই কারণেই তো প্রতিদিন লাউয়ের রস বা এই সবজিটি দিয়ে তৈরি কোনও না কোনও পদ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। প্রসঙ্গত, লাউ খাওয়া শুরু করলে আরও বেশ কিছু উপকার মেলে। যেমন ধরুন মাত্রতিরিক্ত ঘাম হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। সেই সঙ্গে ব্রণের মতো ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও আর থাকে না।
শরীর ঠাণ্ডা করে
অনেক সময়ই শরীরের ভিতরের তাপমাত্রা বেশ বেড়ে যায়, যা একেবারেই ভাল নয়। তাই তো সপ্তাহে ২-৩ দিন নিয়মিত লাউয়ের রস খাওয়া উচিত! আসলে এই সবজিটিতে যেমন রয়েছে প্রচুর মাত্রায় পানি, তেমনি রয়েছে প্রচুর পরিমাণ খনিজও, যা শরীরকে ঠাণ্ডা রাখার পাশাপাশি দেহের ভিতরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদেরও বার করে দেয়। ফলে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। তেমনি দেহের ভিতরে তাপমাত্রা বা প্রাদাহ বাড়ার সম্ভাবনাও আর থাকে না।
ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশনের মতো রোগের প্রকোপ কমে
বছরের এই সময়ে পরিবেশে নানাবিধ ক্ষতিকর জীবাণুর মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সংক্রমণের মতো রোগের প্রকোপ খুব বৃদ্ধি পায়। বিশেষত মেয়েদের মধ্যে ইউরিনারি ট্রাক্ট ইফেকশনে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে বেড়ে যায়। তাই তো শীতের শুরুতে নিয়মিত লাইয়ের রস খাওয়া মাস্ট! কারণ যে কোনও ধরনের সংক্রমণকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে লাউয়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। শুধু তাই নয়, এই সবজিতে প্রচুর মাত্রায় পানি থাকার কারণে এটি খেলে প্রস্রাব খুব ভাল হয়, ফলে ‘ইউ টি আই’ এর মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা এমনিতেই অনেকটা কমে যায়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়
বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, প্রতিদিন লাউয়ের রসের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে। ফলে সংক্রমণের পাশপাশি ছোট-বড় নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন, ওয়েদার চেঞ্জের সময় লাউয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতানোর প্রয়োজন কতটা!
মরিয়ম ফুল, চন্দন গুড়া, রিঠা পাউডার, শিকাকাই, ত্রিফলা, কর্পূর, গোক্ষুর,
             জটামানসী, পুনর্ণবা, ত্বীন ফল, পিংক সল্ট, ব্রাঊন সুগার কারী পাতাসহ দুষ্প্রাপ্য ভেষজ এবং
                    যাবতীয় বাদাম মসলা আস্ত/গুড়ার জন্য পরিদর্শন করুন
          গাওয়া ঘি, মধু সরিষার তৈল! ভেজালে মূল্য ফেরত
      বাড়ী#২৮,  রোড#,  ব্লক#এফ,  বনশ্রী, ঢাকা
             ফোন: ০১৬২০১২০৮১৭

Newer Posts Newer Posts Older Posts Older Posts


Post a Comment