Indian sarsaparilla/অনন্তমূল, Sarsaparilla: Benefits, Risks, and Side Effects/অনন্তমূলের পরিচিতি ও ভেষজ গুণাবলি

Sarsaparilla is a tropical plant from the genus Smilax. The climbing, woody vine grows deep in the canopy of the rainforest. It’s native to South America, Jamaica, the Caribbean, Mexico, Honduras, and the West Indies. Many species of Smilax fall into the category of sarsaparilla, including:
S. officinalis
S. japicanga
S. febrifuga
S. regelii
S. aristolochiaefolia
S. ornata
S. glabra
For centuries, indigenous people around the world used the root of the sarsaparilla plant for treating joint problems like arthritis, and for healing skin problems like psoriasis, eczema, and dermatitis. The root was also thought to cure leprosy due to its “blood-purifying” properties.
Sarsaparilla was later introduced into European medicine and eventually registered as an herb in the Unites States Pharmacopoeia to treat syphilis.
Other names for sarsaparilla
Sarsaparilla goes by many different names, depending on the language and country of origin. Some other names for sarsaparilla include:
khao yen
liseron epineux
ba qia
Sarsaparilla drink
Sarsaparilla is also the common name of a soft drink that was popular in the early 1800s. The drink was used as a home remedy and was often served in bars.
Contrary to popular belief, the sarsaparilla soft drink was typically made from another plant called sassafras. It has been described as a similar taste to root beer or birch beer. The drink is still popular in certain Southeast Asian countries, but is no longer common in the United States.
Though it can be found online and in specialty stores, today’s sarsaparilla drinks don’t actually contain any sarsaparilla or sassafras. Instead they contain natural and artificial flavoring to mimic the taste.
Sarsaparilla contains a wealth of plant chemicals thought to have a beneficial effect on the human body. Chemicals known as saponins might help reduce joint pain and skin itching, and also kill bacteria. Other chemicals may be helpful in reducing inflammation and protecting the liver from damage. It is important to note that human studies for these claims are either very old or lacking. The studies referenced below used the individual active components in this plant, individual cell studies, or mice studies. While the results are very intriguing, human studies are needed to support the claims.
1. Psoriasis
The benefits of sarsaparilla root for treating psoriasis were documented decades ago. One studyTrusted Source found that sarsaparilla dramatically improved skin lesions in people with psoriasis. The researchers hypothesized that one of sarsaparilla’s main steroids, called sarsaponin, is able to bind to endotoxins responsible for the lesions in psoriasis patients and remove them from the body.
2. Arthritis
Sarsaparilla is a potent anti-inflammatory. This factor makes it also a useful treatment for inflammatory conditions like rheumatoid arthritis and other causes of joint pain and the swelling caused by gout.
3. Syphilis
Sarsaparilla has shown activity against harmful bacteria and other microorganisms that have invaded the body. Though it may not work as well as modern day antibiotics and antifungals, it has been used for centuries to treat major illnesses like leprosy and syphilis. Syphilis is a sexually transmitted disease caused by a bacterium. Leprosy is another devastating infection caused by bacteria.
The antimicrobial activity of sarsaparilla has been documented in recent studies. One paper looked at the activity of over 60 different phenolic compounds isolated from sarsaparilla. Researchers tested these compounds against six types of bacteria and one fungus. The study found 18 compounds that demonstrated antimicrobial effects against the bacteria and one against the fungus.
4. Cancer
A recent study showed that sarsaparilla had anticancer properties in cell lines of multiple types of cancers and in mice. Preclinical studies in breast cancer tumors and liver cancer have also shown the antitumor properties of sarsaparilla. More research is needed to find out if sarsaparilla can be used in cancer prevention and treatment.
5. Protecting the liver
Sarsaparilla has also shown protective effects on the liver. Research conducted in rats with liver damage found that compounds rich in flavonoids from sarsaparilla was able to reverse damage to the liver and help it function at its best.
6. Improving the bioavailability of other supplements
Sarsaparilla is used in herbal mixes to act as a “synergist.” In other words, it’s thought that the saponins found in sarsaparilla increase the bioavailability and absorption of other herbs.
Side effects
There are no known side effects of using sarsaparilla. However, taking a large amount of saponins may cause stomach irritation. Be aware that the United States Food and Drug Administration (FDA) doesn’t regulate herbs and supplements and they aren’t subjected to rigorous safety and efficacy testing prior to marketing.
Sarsaparilla may interact with certain medications. It can increase the ability of your body to absorb other drugs. Call your doctor right away if you experience any side effects while taking sarsaparilla.
Sarsaparilla is generally considered safe. The biggest risk to you is fraudulent marketing and misinformation.
Fraudulent claims
Sarsaparilla has been falsely marketed by supplement makers to contain anabolic steroids like testosterone. While the plant steroids found that the sarsaparilla plant can be chemically synthesized into these steroids in the laboratory, this hasn’t ever been documented to happen in the human body. Many bodybuilding supplements contain sarsaparilla, but the root has never been proven to have any anabolic effects.
False ingredients
Don’t confuse sarsaparilla with Indian sarsaparilla, Hemidesmus indicus. The Indian sarsaparilla is sometimes used in sarsaparilla preparations but doesn’t have the same active chemicals of the sarsaparilla in the Smilax genus.
Pregnancy risks
There haven’t been any studies done to show that sarsaparilla is safe for pregnant or breast-feeding mothers. You should stay on the safe side and avoid medicinal plants like sarsaparilla unless directed by a doctor.
The beneficial phytochemicals in the root of the sarsaparilla plant have been shown to have anticancer, anti-inflammatory, antimicrobial, and skin and joint healing effects. Sarsaparilla is considered safe for most people, but be wary of false claims. The herb hasn’t been proven to successfully cure cancer or other diseases, and there’s no evidence that it contains anabolic steroids often sought by bodybuilders.
If you wish to take sarsaparilla for a medical condition, you should speak to a doctor before you start. Though sarsaparilla has been shown to help with certain medical problems, it may not be the most effective treatment for your particular condition. Even if you think sarsaparilla will help, your doctor may recommend that you only use sarsaparilla in conjunction with modern medical treatments, or not at all.
অনন্তমূল গুড়া ৫০ গ্রাম ১৬০/- টাকা, আস্ত  ১৫০/-
বাজার দর অনুযায়ী মূল্য পরিবর্তনশীল এবং ষ্টক থাকা সাপেক্ষে।
সকল পণ্য হালাল রুপে বাছাই করে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে বাজারজাত করা হয়।
বনাজী ঔষধালয়ে নুতন পণ্যের অর্ডার বিবরনমূল্য জানতে ফেসবুক     
পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন, share করে সহযোগিতা করুন প্লিজ।
ভেষজ গাছ গাছড়ার গুনাগুণ  উপকারিতা জানতে ভিজিট করুন এবং  subscribe করুন। ধন্যবাদ।

Please subscribe/like/follow for next posts,
অনন্তমূল একটি লতানো উদ্ভিদ। কোন কিছুর উপর ভর করে কিংবা অন্য গাছকে অবলম্বন করে পেচিয়ে থাকে। মূল অনেক লম্বা হয় এবং মাটির অনেক গভীরে প্রবেশ করে বলে এর নাম হয়েছে অনন্তমূল। পাতা সংলাল, সরু ও লম্বা, দেখতে কালচে সবুজ। পাতার মাঝখানে শিরা বরাবর সাদা দাগ থাকে। পাতা ও লতার যেকোন অংশ ছিড়লেই সাদা রঙের কষ বের হয়।
প্রচলিত নামঃ অনন্তমূল
ইউনানী নামঃ ওশবা (দেশী)
আয়ুর্বেদিক নামঃ শারিবা
ইংরেজি নামঃ Indian Sarsaparilla
বৈজ্ঞানিক নামঃ Hemidesmus indicus (Linn.) R. Br.
পরিবারঃ Periplocaceae
প্রাপ্তিস্থানঃ বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের শাল বনে এটি বেশী পাওয়া যায়।
রোপণের সময় ও পদ্ধতিঃ আশ্বিন হতে পৌষ মাসে ফল ধরে। বীজ থেকে চারা তৈরি করে লাগানো যায়। তবে সচরাচর অঙ্গজ অংশের মাধ্যমে এর বংশ বিস্তার করা হয়। বর্ষা মৌসুমের পূর্বে বীজ বপন করতে হয়।
রাসায়নিক উপাদানঃ মূলের প্রধান উপাদান কুমারিন ও উদ্বায়ী তেল। তাছাড়াও এতে স্টেরল, টার্পিন, অ্যালকোহল, লুপিয়ল, স্যাপোনিন ও ট্যানিন বিদ্যমান।
ব্যবহার্য অংশঃ পাতাসহ গাছের সমস্ত অংশ।
১। পরিমানমতো পানিতে এর ৩ গ্রাম শিকড় বেটে দুধের সাথে জ্বাল দিয়ে দই পেতে পরের দিন সকালে খেলে অর্শের উপশম হবে এবং সেই সাথে খাওয়ার রুচি হবে এবং ক্ষুধা বাড়বে।
২। অনন্তমূলে উদ্বায়ী তেল (Essential oil) রয়েছে। এ উদ্বায়ী তেল বায়ুনাশক ও হজম বৃদ্ধিকারক ঔষধি গুণবিশিষ্ট। এ তেল বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এনজাইমকে সক্রিয় ও উজ্জীবিত করে, ক্ষুধা বাড়ায়, বায়ুনাশ করে এবং হজমশক্তি বৃদ্ধি করে) (Ghani, 2002)। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে পিত্ত শ্লেষ্মা চাপা থাকলে খাওয়ায় অরুচি ও অগ্নিমান্দ্য বা গা বমি বমি ভাব হয়। এ অবস্থায় অনন্তমূলের পাতা ও গাছের রস থেঁতো করে গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে ১০-১৫ মি.লি. খেলে উপশম হয়। এর কিছুক্ষণ পর নাস্তা করতে হবে।
৩। একজিমা ও হাঁপানি আপাতদৃষ্টিতে দুই মনে হলেও এর নিমিত্ত এক। তাই এ দুটির প্রাশ একসাথে হলে ৩ গ্রাম অনন্তমূলের শিকড় পরিমাণমতো পানিতে বেটে বৈন্ধব লবণ মিশিয়ে শরবতের মতো দু’বেলা খেলে উপশম হবে।
৪। অনন্তমূলের শুকনা শিকড় গুঁড়া করে ১/৫ গ্রাম মাত্রায় সকালে ও বিকেলে দ’বেলা খেলে খুসখুসে কাশি উপশম হয়। শিকড়ে যে স্যাপোনিন রয়েছে সেটিই এ কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
৫। (ক) অনন্তমূলের শিকড়ে ট্যনিন রয়েছে। চর্মরোগ বা কোনো ক্ষতস্থান সারাতে এটি ব্যবাহর করলে ট্যানিন ক্ষতস্থানের কোষের বহিস্থ আমিষের সাথে বিক্রয়া করে আমিষেকে অধঃক্ষেপিত করে একটি পাতলা আবরণ তৈরি করে- যা ক্ষতস্থানের কোষ-কলাকে সংশ্লিষ্ট উৎসেচক ও বিভিন্ন সাহায্য করে ক্ষত সারিয়ে তোলে। তাইঅনন্তমূলের শিকড় বা সমস্ত গাছ ১-৩ গ্রাম মাত্রায় গুঁড়া করে প্রতিদিন খেলে খোসপাঁচড়ায় সুফল পাওয়া যায়। একইসাথে এর ক্বাথ দিয়ে আক্রান্ত স্থান ধুলে তাড়াতাড়ি ফল পাওয়া যায় যাবে। এমনকি কোনো ক্ষত বা ঘা হলে ক্বাথ দিয়ে ধুলে ঘা শুকিয়ে সেবে ওঠে।
(খ) শিশুদের জিহ্বার ক্ষতে ভেড়ার দুধে শিকড় বেটে লাগালে বিশেষ উপকার হয়। বয়স্কদের ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহার করা যায়।
৬। মহিলাদের স্রাবে দুর্গন্ধ হলে ৩ গ্রাম অনন্তমূলের শিকড় বেটে সকালে ও বিকেলে দুধ বা জলসহ খেলে সেরে যায়।
৭। অনেকের গায়ে বিশেষ বিশেষ স্থানে ঘামে দুর্গন্ধ হয়। এ অবস্থায় অনন্তমূলের শিকড় বেটে অল্প ঘি মিশিয়ে ঐসব স্থানে মেখে খানিকক্ষণ পরে স্নান করলে দুর্গন্ধ দূর হয়।
৮। বাতরক্তে মনে হয় গায়ে যেন কী চরে বেড়াচ্ছে এবং মাঝে মাঝে কোনো কোনো অঙ্গের সংকোচন হয়। এই অবস্থায় অনন্তমূলের শিকড়ের ক্বাথ বেশ কিছুদিন খেলে উপকার হয়।
৯। হাত-পা জ্বালা করলে ৩ গ্রাম মাত্রায় পাতাসহ শিকড় পানিতে বেটে চিনি দিয়ে শরবত করে দিনে দ’বার খেলে উপকার হয়।
 খোস-পাঁচড়া, রক্তদুষ্টি, একজিমা, চুলকানি, ব্রণ, শোথ, হাত-পা জ্বালা ও কোষ্ঠকাঠিন্য তে উপকারী।
বিশেষ কার্যকারিতাঃ খোস-পাঁচড়া, রক্তদুষ্টি, একজিমা, চুলকানিতে কার্যকরী।
রোগ অনুযায়ী ব্যবহার পদ্ধতিঃ
রোগেরনামঃ খোস-পাঁচড়ায়,
ব্যবহার্য অংশঃ মূল/সমস্ত গাছ,
মাত্রাঃ চূর্ণ ১-৩ গ্রাম,
ব্যবহার পদ্ধতিঃ প্রত্যহ ২ বার আহারের পর সেব্য।
রোগেরনামঃ প্রদাহ, ব্রণ ও শোথ রোগে,
ব্যবহার্য অংশঃ মূল,
মাত্রাঃ পরিমানমত,
ব্যবহার পদ্ধতিঃ পেস্টের মত কর কুসুম গরম পানি মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ দিতে হবে।
রোগেরনামঃ অরুচিতে,
ব্যবহার্য অংশঃ পাতাসহ গাছের রস,
মাত্রাঃ ১০-১৫ মিলি
ব্যবহার পদ্ধতিঃ পাতাসহ গাছ অল্প পানি দিয়ে ছেচে রস বের করে অথবা থেতো করে গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে রস সকালে খালি পেটে সেব্য। তবে ঔষধ সেবনের কিছুক্ষন পর নাস্তা খেতে হবে।
রোগেরনামঃ হাত-পা জ্বালায় ,
ব্যবহার্য অংশঃ সমস্ত অংশ,
মাত্রাঃ ৩-৫ গ্রাম,
ব্যবহার পদ্ধতিঃ পিষে রস করে পানিসহ অল্প চিনি মিশিয়ে প্রত্যহ ২ বার সেবন করতে হবে।
মরিয়ম ফুল, চন্দন গুড়া, রিঠা পাউডার, শিকাকাই, মুলতানি
মাটি, ত্রিফলা
           জটামানসী, পুনর্ণবা, ত্বীন ফল, পিংক সল্ট, ব্রাঊন সুগার. কেশুরী মেথি,
কারি পাতাসহ
দুষ্প্রাপ্য ভেষজ এবং
                  যাবতীয় বাদাম মসলা আস্ত/গুড়ার জন্য পরিদর্শন করুন
          গাওয়া ঘি, মধু সরিষার তৈল! ভেজালে মূল্য ফেরত
    বাড়ী#২৮,  রোড#,  ব্লক#এফ,  বনশ্রী, ঢাকা
           ফোন: ০১৬২০১২০৮১৭

Newer Posts Newer Posts Older Posts Older Posts


Post a Comment